
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণকাজের সময়সীমা ২৮ ফেব্রুয়ারি পেরিয়ে গেছে। এরপর কেটে গেছে অতিরিক্ত তিন সপ্তাহ। তবে এখনও মাটিয়ান হাওরের আলমখালি ক্লোজারে কাজ হয়েছে ৫০ ভাগ।
প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিকেলে মাটিয়ান হাওরের আলমখালি ক্লোজার বাঁধে কৃষকদের প্রতিবাদ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন,আলমখালি ক্লোজার বাঁধ,জামলাবাজ নদীর বাঁধ ও ধরুন্দ বাঁধের নির্মাণ কাজে সীমাহীন অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। এ সময়ে সবগুলো বাঁধ নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। ৩টি বাধের উচ্চতা বিগত বছরের চাইতে ৩ফুট কম রয়েছে। কোন ধরনের দুর্মুজ করা হয়নি। বাঁধের স্লোপ একেবারেই নেই। তাছাড়া ধরুন্দ বাঁধটিতে পুরাতন বস্তি মাটি আচর দিয়ে কাজ কাজ করা হচ্ছে। নদীর পানি সামান্য বৃদ্ধি পেলেই বাঁকগুলো ভেঙ্গে মাটিয়ান হাওরের সমুদয় ফসল বিনষ্ট হয়ে যাবে।
মাববন্ধনে মাটিয়ান হাওর উন্নয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, মাটিয়ান হাওরের ঝুঁকিপূর্ণ আলম খালি ক্লোজার বাঁধটি মাটির কাজ এখনও শেষ হয়নি। বাঁধে বাঁশ, বস্তা ও জিওব্যাগের কাজ নিয়ে বার বার অনুরোধ করার পরও পাউবোর কর্মকর্তারা কোনো গুরুত্ব দেননি। বাঁধের উচ্চতা বৃদ্ধি ও স্লোপে মাটি ফেলতে হবে। হাওরের সাইটে অবশ্যই বাঁশের প্যালাসাইটিং করতে হবে। নদীর দিকে জিওটেক্স বস্তা দিতে হবে জরুরি ভিত্তিতে।
অপরদিকে জামলাবাজ নদী বাঁধের বিষয়ে তিনি জানান, নদীর বাঁধে পেটিবাঁধ দিতে হবে। বাঁধের পেছনে বাঁশের প্যালাসাইটিং এবং বাঁধের সামনে বাধ্যতামূলক জিওট্যাক্স/বস্তা জরুরি ভিত্তিতে দেওয়ার পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। ধরুন্দ বাঁধে নামমাত্র মাটি ফেলে আস্তরণ দেওয়া হয়েছে। বাঁধ বিগত বছরের চেয়ে অনেক নিচু রয়েছে। নিচু স্থানগুলোতে উচ্চতা বাড়াতে হবে।
এ ছাড়াও মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন হাওর বাচাও আন্দোলন তাহিরপুর উপজেলা শাখার সভাপতি মুছায়েল আহমদ,উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি লুৎফুর রহমান,কৃষক প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম, মাসুম আহমদ,মালু মিয়া,সুহেল আহমদ প্রমূখ।
মন্তব্য করুন
সম্পাদক ও প্রকাশক : জুবায়ের আহমদ
সম্পাদক কর্তৃক নিউ বর্নমালা অফসেড প্রেস, রাজা ম্যানশন,জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
রেজি নং : চ-৭০০, ডিক্লারেশন নং: সিল-১৪৩/১৪।