
সুনামগঞ্জ-২ আসনের সাবেক আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় বোমা হামলা এবং হত্যা চেষ্টা মামলার রায়ে সাবেক ছাত্র জমিয়ত নেতা হাফেজ সৈয়দ নাঈম আহমেদ আরিফকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এই রায় ঘোষণা করেন। একই মামলায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমান সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর এবং জাতীয় সংসদের বর্তমান হুইপ জি কে গউছসহ মোট ৯ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আবুল হোসেন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে আদালতের এই রায় ঘোষণার পর গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে হাফেজ সৈয়দ নাঈম আহমেদ আরিফের বিরুদ্ধে প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডের আদেশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি রিদওয়ান মাযহারী।
বিবৃতিতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি উল্লেখ করেন, ছাত্র জমিয়ত সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফেজ নাঈম দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর কারাভোগের পর মাত্র এক মাস আগে জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন। একই মামলায় তাঁর চেয়ে অন্য গুরুত্বপূর্ণ আসামিরা বেকসুর খালাস পেলেও শুধু হাফেজ নাঈমকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া বিচারিক বৈষম্য ও ন্যায়বিচার নিয়ে গভীর প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে।
দীর্ঘ দুই দশক বন্দি থাকার পর একজন ব্যক্তিকে এভাবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে বিবৃতিতে মন্তব্য করা হয়। ছাত্র জমিয়তের পক্ষ থেকে এই রায় পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আশা প্রকাশ করা হয়েছে যে, উচ্চতর আদালতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। একই সাথে অবিলম্বে এই রায়ের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ, নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিতকরণ এবং হাফেজ নাঈমের প্রতি সুবিচার প্রতিষ্ঠার জোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন
সম্পাদক ও প্রকাশক : জুবায়ের আহমদ
সম্পাদক কর্তৃক নিউ বর্নমালা অফসেড প্রেস, রাজা ম্যানশন,জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
রেজি নং : চ-৭০০, ডিক্লারেশন নং: সিল-১৪৩/১৪।