
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিপিএল ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমের ঝলমলে সেঞ্চুরি ও বিনুরা ফার্নান্দোর আগুনঝরা বোলিংয়ে একতরফা হয়ে যায় শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ।
টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা সতর্কভাবেই করেন দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও তানজিদ। পাওয়ারপ্লেতে উইকেট না হারিয়ে ৪০ রান তোলে রাজশাহী। ৩০ রান করে ফারহান ফিরলেও অন্য প্রান্তে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন তানজিদ। তিন নম্বরে নেমে কেইন উইলিয়ামসন ১৫ বলে ২৪ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন। এরপর চট্টগ্রামের বোলারদের ওপর পুরো নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন তানজিদ। চার ও ছক্কার ফুলঝুরি ছড়িয়ে ৬১ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। ১০০ রান করে আউট হওয়ার সময় রাজশাহীর বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে যায়।
শেষ দিকে জিমি নিশাম ও নাজমুল হোসেন শান্তর দ্রুত রান তোলায় নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৪ রান করে রাজশাহী।
১৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে চট্টগ্রাম। দলীয় ১৮ রানেই ফিরে যান নাঈম শেখ ও মাহমুদুল হাসান জয়। পাওয়ারপ্লে শেষে স্কোর দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৪১। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। মির্জা তাহির বেগ ৩৯ রান করলেও অন্যরা বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। শেখ মেহেদী দ্রুত আউট হলে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় চট্টগ্রাম। শেষ দিকে আসিফ আলী কিছুটা লড়াই করলেও ১১১ রানেই গুটিয়ে যায় তাদের ইনিংস।
রাজশাহীর হয়ে বল হাতে দারুণ ছিলেন বিনুরা ফার্নান্দো। মাত্র ৯ রান খরচ করে ৪টি উইকেট নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন এই লঙ্কান পেসার। হাসান মুরাদ নেন ৩টি এবং জিমি নিশাম ২টি উইকেট।
পুরো টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখানো চট্টগ্রাম ফাইনালে এসে রাজশাহীর নিয়ন্ত্রিত ক্রিকেটের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি। তানজিদের সেঞ্চুরি আর ফার্নান্দোর বিধ্বংসী স্পেলেই নতুন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নাম লেখায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
মন্তব্য করুন
সম্পাদক ও প্রকাশক : জুবায়ের আহমদ
সম্পাদক কর্তৃক নিউ বর্নমালা অফসেড প্রেস, রাজা ম্যানশন,জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
রেজি নং : চ-৭০০, ডিক্লারেশন নং: সিল-১৪৩/১৪।