
তারকাখচিত দল, দুর্দান্ত ফর্ম আর হাজারো ভক্তের প্রত্যাশা সবই ছিল। কিন্তু বিপিএলের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে এসে মুখ থুবড়ে পড়ল সিলেট টাইটান্স। শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স এর কাছে ১২ রানে হেরে ফাইনালের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের দলের। এই জয়ের ফলে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স পৌঁছে গেল বিপিএলের ফাইনালে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ চট্টগ্রাম রয়্যালস।
মিরপুরে টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুটা আগ্রাসীভাবে করে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমের ১৫ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে পাওয়ার প্লেতেই বড় সংগ্রহের ভিত পায় তারা। মাঝপথে মুশফিকুর রহিম (০) ও মেহেরব হোসেন (০) দ্রুত বিদায় নিলেও নিউজিল্যান্ডের কেইন উইলিয়ামসন এবং জিমি নিশাম দলের হাল ধরেন।
নিশামের ২৬ বলে ৪৪ এবং উইলিয়ামসনের অপরাজিত ৪৫ রানের সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৫ রানের লড়াকু পুঁজি পায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। সিলেট টাইটান্স এর পক্ষে সালমান ইরশাদ ৩টি এবং অধিনায়ক মিরাজ ও নাসুম আহমেদ ২টি করে উইকেট নেন।
১৬৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে সিলেট টাইটান্স। মাত্র ৭ রানের মধ্যে জাকির হাসান ও আরিফুল ইসলাম শূন্য রানে বিদায় নিলে চাপে পড়ে দলটি। তবে ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ও স্যাম বিলিংসের ব্যাটে লড়াইয়ে ফেরে সিলেট। ইমন ৩৪ বলে ৪৮ রান করে আউট হলে জয়ের পথ কিছুটা কঠিন হয়ে পড়ে।
পরবর্তীতে মঈন আলী (৭) ব্যর্থ হলেও আফিফ হোসেন ধ্রুব ২১ রানের এক ক্যামিও ইনিংস খেলে আশা জাগিয়েছিলেন। কিন্তু রাজশাহী ওয়ারিয়র্স এর বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শেষ পর্যন্ত খেই হারিয়ে ফেলে সিলেট টাইটান্স।
শেষ ২ ওভারে সিলেট টাইটান্স এর প্রয়োজন ছিল ২৯ রান। ১৯তম ওভারে আব্দুল গাফফার সাকলাইন মাত্র ৫ রান দিয়ে ম্যাচ রাজশাহীর নাগালে নিয়ে আসেন। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ২৪ রান দরকার থাকলেও বিনুরা ফার্নান্দোর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মাত্র ১১ রান তুলতে সক্ষম হয় সিলেট।
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স এর হয়ে বিনুরা ফার্নান্দো একাই শিকার করেন ৪টি উইকেট। ফলে ১২ রানের জয় নিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে রাজশাহী, আর একঝাঁক বিদেশি তারকা নিয়েও টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয় সিলেট টাইটান্সকে।
মন্তব্য করুন
সম্পাদক ও প্রকাশক : জুবায়ের আহমদ
সম্পাদক কর্তৃক নিউ বর্নমালা অফসেড প্রেস, রাজা ম্যানশন,জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
রেজি নং : চ-৭০০, ডিক্লারেশন নং: সিল-১৪৩/১৪।