মূল কনটেন্টে যান
শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬
শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬

যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা অডিটে ঢাকার চেয়েও এগিয়ে সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দর


নিজস্ব প্রতিবেদক
যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা অডিটে ঢাকার চেয়েও এগিয়ে সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দর

যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট ফর ট্রান্সপোর্টের (ডিএফটি) সাম্প্রতিক নিরাপত্তা মূল্যায়নে দেশের দুই প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্কোর বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে ৯৮ শতাংশ স্কোর নিয়ে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। অন্যদিকে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অর্জন করেছে ৯৪ শতাংশ স্কোর। রোববার বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

যুক্তরাজ্যগামী যাত্রী, কার্গো ও ডাক পরিবহনের নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যালোচনার উদ্দেশ্যে এই অডিট পরিচালনা করা হয়। ২০২৫ ও ২০২৬ সালের ফলাফলের তুলনামূলক চিত্রে দেখা গেছে, এক বছরের ব্যবধানে শাহজালাল বিমানবন্দরের স্কোর ১ শতাংশ এবং ওসমানী বিমানবন্দরের স্কোর ৪ শতাংশ বেড়েছে। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের মূল্যায়নে শাহজালালের স্কোর ছিল ৯৩ শতাংশ এবং ওসমানীর স্কোর ছিল ৯৪ শতাংশ। এই অডিটে কার্গো পরিবহন নিরাপত্তায় বাংলাদেশ শতভাগ কমপ্লায়েন্স অর্জন করেছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, কার্গো নিরাপত্তায় শতভাগ কমপ্লায়েন্স অর্জিত হওয়ায় ২০১৭ সাল থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আরোপিত ‘হাই রিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল’ (এইচআরসিএম) সংক্রান্ত অতিরিক্ত নিরাপত্তা শর্ত ও বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত হতে পারে। এছাড়া আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে ৬ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইসিএও) নির্ধারিত অডিটের আগে এই সাফল্য বেবিচক ও সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দরগুলোর জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে।

এই অর্জনের পেছনে বেবিচকের এভিয়েশন সিকিউরিটি ডিভিশন, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সমন্বিত প্রচেষ্টা কাজ করেছে বলে জানিয়েছেন বেবিচকের সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমডোর মো. আসিফ ইকবাল। তিনি জানান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বেবিচক চেয়ারম্যানের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা এই সফলতার মূল চালিকাশক্তি হিসেবে ভূমিকা রেখেছে।