মূল কনটেন্টে যান
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬

‎সিলেটে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে এক ডজন প্রার্থীর ভিড়ে শেষ হাসি শাম্মী ও জহরতের ‎


নিজস্ব প্রতিবেদক
‎সিলেটে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে এক ডজন প্রার্থীর ভিড়ে শেষ হাসি শাম্মী ও জহরতের ‎

সিলেট বিভাগে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন নিয়ে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটেছে। ডজনখানেক হেভিওয়েট প্রার্থীর মনোনয়ন লড়াই আর দীর্ঘ অপেক্ষার পর শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পেয়েছেন দুই নেত্রী। তারা হলেন—সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আক্তার ও নতুন মুখ ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী।

‎সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত ৩৬ জনের নাম ঘোষণা করেন। এই তালিকায় সিলেট বিভাগ থেকে স্থান পান শাম্মী ও জহরত।

‎সিলেটের এই দুই মনোনয়নে বিএনপি একদিকে যেমন অভিজ্ঞতায় আস্থা রেখেছে, অন্যদিকে নতুন মুখকেও সামনে নিয়ে এসেছে। মনোনয়ন পাওয়া শাম্মী আক্তার বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সহ-সম্পাদক এবং সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি এবার ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন। অন্যদিকে, নতুন মুখ হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মৌলভীবাজারের বড়লেখার ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী। তিনি সাবেক প্রতিমন্ত্রী মরহুম অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরীর মেয়ে।

‎আলোচনায় ছিলেন যারা

‎সিলেটের সংরক্ষিত এই আসনে এবার প্রার্থীর ছড়াছড়ি ছিল। বিশেষ করে সিলেট জেলার একাধিক নেত্রী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে জোরালো আলোচনায় ছিলেন। এদের মধ্যে বড় একটি অংশ ছিল সাবেক ও প্রভাবশালী নেতাদের উত্তরসূরি। আলোচনায় ছিলেন সিলেট-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত ড. সৈয়দ মকবুল হোসেন লেচু মিয়ার মেয়ে সৈয়দা আদিবা হোসেন। তিনিও এবার সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন এবং নির্বাচনী এলাকায় তরুণ প্রজন্মের মাঝে তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা লক্ষ্য করা গেছে।

‎এছাড়া আলোচনায় ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব আবুল হারিছ চৌধুরীর মেয়ে ব্যারিস্টার সামিরা তানজিন চৌধুরী, নিখোঁজ ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারের বোন তাহসিন শারমিন তামান্না এবং সিলেট মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক ফাহিমা আহাদ কুমকুম।

‎মনোনয়ন দৌড়ে আরও ছিলেন সাবেক নেতা কমর উদ্দিনের মেয়ে ছাবিনা খান এবং সুনামগঞ্জের ছালমা আক্তারসহ আরও বেশ কয়েকজন নেত্রী। শেষ পর্যন্ত এক ডজনেরও বেশি এই হেভিওয়েট ও জনপ্রিয় প্রার্থীদের পেছনে ফেলে মনোনয়নের চূড়ান্ত দৌড়ে বাজিমাত করলেন শাম্মী ও জহরত।

‎বিএনপি জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দিতে জাতীয় কমিটির সদস্যরা দুই দিনব্যাপী প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন। সেই সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতেই ৩৬ জনের নাম চূড়ান্ত করা হয়।