মূল কনটেন্টে যান
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬

তাহিরপুরে ধান কাটার শ্রমিক পেতে ৩ শুল্ক স্টেশনে কাজ বন্ধ


নিজস্ব প্রতিবেদক
তাহিরপুরে ধান কাটার শ্রমিক পেতে ৩ শুল্ক স্টেশনে কাজ বন্ধ

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার হাওরগুলোতে বোরো ধান কাটার শ্রমিক সংকট নিরসনে সীমান্তের তিনটি স্থল শুল্ক স্টেশনে কয়লা ও চুনাপাথর পরিবহন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার বৃহৎ বালু-পাথর মহাল যাদুকাটা নদী থেকেও বালু উত্তোলন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৯ এপ্রিল) দিনব্যাপী সীমান্ত এলাকাজুড়ে মাইকিং করে শ্রমিকদের ধান কাটার কাজে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। তাহিরপুর কয়লা আমদানিকারক সমিতির এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সমিতির ঘোষণা অনুযায়ী, ২০ এপ্রিল থেকে ১ মে পর্যন্ত উপজেলার বড়ছড়া, চারাগাঁও ও বাগলী স্থল শুল্ক স্টেশনে সব ধরনের কয়লা ও চুনাপাথর পরিবহন চূড়ান্তভাবে বন্ধ থাকবে।

তাহিরপুর কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি আলহাজ্ব মো. খসরুল আলম জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্যের পরামর্শক্রমে উপজেলার শনির হাওর, মাটিয়ান হাওর, মহালিয়া ও বর্ধিত গুরমা হাওরের ধান কাটতে যাতে শ্রমিকের অভাব না হয়, সেজন্যই এই পদক্ষেপ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শুল্ক স্টেশনগুলো বন্ধ থাকায় প্রায় ১০ হাজার শ্রমিক হাওরে ধান কাটার কাজে যুক্ত হতে পারবেন।

সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, “হাওরে কৃষকের ধান কাটার সুবিধার্থে উপজেলার তিন স্থল শুল্ক স্টেশনে কয়লা ও চুনাপাথর পরিবহন এবং যাদুকাটা নদীতে বালু উত্তোলন ১ মে পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, এর ফলে এ বছর হাওরে ধান কাটতে আর শ্রমিক সংকট থাকবে না।”

উপজেলার একমাত্র ফসল বোরো ধান ঘরে তুলতে স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছে। ১ মে পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।