
দিনভর পুলিশের বাধা, ধাক্কাধাক্কি ও দীর্ঘ আলোচনার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রায় হামলার ঘটনায় অবশেষে মামলা করেছে দলটির সহযোগী সংগঠন। মামলায় স্থানীয় সংসদ সদস্যের অনুসারী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহমেদকে প্রধান আসামি করে ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও ১০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
বুধবার রাত ৮টায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে উপস্থিত হয়ে লিখিত এই অভিযোগটি দায়ের করে। প্রতিনিধি দলে এনসিপির মুখ্য সমন্বায়ক নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী, দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, ডা. মাহমুদা মিতু ও সারোয়ার তুষার উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকালে এনসিপির পক্ষ থেকে মামলা করতে গেলে পুলিশ এতে আপত্তি জানায় ও বাধা দেয়। একপর্যায়ে দিনভর ধাক্কাধাক্কি ও দীর্ঘ আলোচনার পর রাতে পুলিশ লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করতে বাধ্য হয়।
মামলাটি দায়ের করেন হবিগঞ্জ জেলা যুব শক্তির আহ্বায়ক তন্ময় তাহের রুবেল। এজাহারে তিনি অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত আসামিরা সবাই হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য জি কে গউছের অনুসারী। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলাকারীরা তাঁদের ল্যাপটপ থেকে ২০ লাখ টাকা মূল্যের যন্ত্রপাতি খুলে নিয়ে গেছে। পাশাপাশি নগদ ৫ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং ৫০ লাখ টাকা মূল্যের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
জানা যায়, গত ২৮ জুলাই এনসিপির পদযাত্রায় হামলার প্রতিবাদে এনসিপি জেলাজুড়ে বিক্ষোভের ডাক দেয়। একই সময়ে জেলা ছাত্রদল ও যুবদলও পাল্টা বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দিলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে পুলিশ। বুধবার বিকেল ৩টার দিকে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউজ থেকে গাড়িবহর নিয়ে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে দলটির নেতারা হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
মন্তব্য করুন
সম্পাদক ও প্রকাশক : জুবায়ের আহমদ
সম্পাদক কর্তৃক নিউ বর্নমালা অফসেড প্রেস, রাজা ম্যানশন,জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
রেজি নং : চ-৭০০, ডিক্লারেশন নং: সিল-১৪৩/১৪।