
রোববার সন্ধ্যায় কর্মস্থলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান মাসুক আহমেদ। তাঁর মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছানোর পরপরই অসুস্থ হয়ে পড়েন বাবা আব্দুল লতিফ। কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনিও মারা যান। আধা ঘণ্টার ব্যবধানে বাবা-ছেলের এমন মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সিলেটের জকিগঞ্জের বারহাল ইউনিয়নের খিলগ্রাম (খালপাড়) এলাকায়।
মারা যাওয়া বাবা-ছেলে হলেন ওই গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল লতিফ ও মাসুক আহমেদ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাসুক আহমেদ শাহগলী বাসস্ট্যান্ড এলাকার নুসরাত লাইটিং নামের একটি দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। রোববার সন্ধ্যায় সেখানেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। পরে তাঁর মৃত্যুর খবর পরিবারের কাছে পৌঁছালে শোকাহত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন বাবা আব্দুল লতিফ।
স্বজনদের ভাষ্য, ছেলের মৃত্যুর খবর পাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই মারা যান আব্দুল লতিফ। ফলে অল্প সময়ের ব্যবধানে পরিবারের দুই সদস্যকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন স্বজনরা।
মাসুক আহমেদ ছিলেন সদ্য বিবাহিত। তাঁর মৃত্যুর পর বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, একই খাটে পাশাপাশি রাখা হয়েছে বাবা ও ছেলের মরদেহ। স্বজনদের আহাজারিতে সেখানে তৈরি হয়েছে হৃদয়বিদারক পরিবেশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বারহাল ইউনিয়নের ইউপি সদস্য খলিল উদ্দিন বলেন, মাসুক আহমেদের মৃত্যুর পরপরই তাঁর বাবারও মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বাদ জোহর হাটুবিল আল আমিন ঈদগাহ মাঠে বাবা-ছেলের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। ছেলের মৃত্যুর সংবাদে তাঁর বাবাও মারা গেছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত মাসুক আহমেদের লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়া দাফনের জন্য আবেদন করা হয়েছে। আবেদন বিবেচনা করে ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাঁর লাশ দাফন করা হবে।
মন্তব্য করুন
সম্পাদক ও প্রকাশক : জুবায়ের আহমদ
সম্পাদক কর্তৃক নিউ বর্নমালা অফসেড প্রেস, রাজা ম্যানশন,জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
রেজি নং : চ-৭০০, ডিক্লারেশন নং: সিল-১৪৩/১৪।