
সিলেটের জকিগঞ্জে রাস্তার ইট লুটপাটের অভিযোগে যুব জামায়াত নেতাসহ ছয়জনকে আটকের ঘটনায় মুখ খুলেছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার মঈন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেছেন আটক মাহফুজসহ অন্যরা মূলত সরকারি সম্পদ রক্ষায় প্রশাসন ও তাকে সহযোগিতা করছিলেন। চেয়ারম্যানের ভাষ্যমতে সুরমা নদীর ডাইকের কাজ চলায় রাস্তার ইটগুলো মাটির নিচে চাপা পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এ বিষয়ে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন জানালে প্রশাসন তাকে ইটগুলো তুলে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে রাখার পরামর্শ দেয়।
ইউপি চেয়ারম্যান তার পোস্টে উল্লেখ করেন যেহেতু ইটগুলো তোলা বা স্থাপনের কোনো নির্দিষ্ট বাজেট নেই তাই স্থানীয় মুরুব্বিদের নিয়ে আলোচনার ভিত্তিতে ইট অপসারণের কাজ শুরু করা হয়। তিনি বলেন এলাকার যুবকসহ দায়িত্বশীলরা মসজিদ ও মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ইট জমা করতে সহযোগিতা করেন। তবে স্থানীয় একটি মহল এই কাজকে অন্যভাবে উপস্থাপন করে বিভ্রান্তি ছড়ালে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইট লুটের হিড়িক পড়ে যায়। চেয়ারম্যান জানান ইট হরিলুট হতে দেখে তিনি নিজে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করেন।
ফেসবুক পোস্টে চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার মঈন আরও বলেন আমার সকল কাজে মুরুব্বী গন ছাড়াও মাহফুজ আরিফ হাদি সহ অনেকেই ইট লুটপাট থামাতে সাহায্য করেন। আজ ভোর থেকে প্রশাসন তার নিজস্ব পদক্ষেপে এগোচ্ছে এখানে আমার বা কারো কিছু করার নেই। তিনি আরও যোগ করেন আপনারা যার প্ররোচনায় ইট গুলো নিয়ে থাকেন না কেন যেখানে যে নিয়ে থাকে না কেন ফেরত আপনারা দিন। এখানে কেউ দুর্নীতি করে নি।
পুরো ঘটনাটিকে ভুল বোঝাবুঝি হিসেবে বর্ণনা করে চেয়ারম্যান বলেন আমি অনুরোধ করবো আপনাদের বিষয়টি এখানেই থামার জন্য আমরা চেষ্টা করছি ভুল বুজাবুজির অবসানে ক্ষমাক্রমে যেন সিদ্ধান্ত না নেন। সবাই একে ওপরের ভাই। তিনি জানান এক কিলোমিটার রাস্তা করতে দুই লক্ষ তেপান্ন হাজার ইট লাগে এবং সেখানে প্রায় ছয় লক্ষ ইট ছিল যার অনেকগুলো এখনো মাটির নিচে রয়ে গেছে।
ফেসবুক পোস্টটি দেখুন : https://www.facebook.com/share/p/1GEixJ4vpj/
মন্তব্য করুন
সম্পাদক ও প্রকাশক : জুবায়ের আহমদ
সম্পাদক কর্তৃক নিউ বর্নমালা অফসেড প্রেস, রাজা ম্যানশন,জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
রেজি নং : চ-৭০০, ডিক্লারেশন নং: সিল-১৪৩/১৪।