নিউজিল্যান্ডের ইনিংস শুরু হয়েছিল দারুণ। মাত্র ৮ ওভারে ৫৭ রান তুলে দেন দুই ওপেনার উইল ইয়াং ও রাচিন রবীন্দ্র। কিন্তু স্পিনারদের দাপটে রানের গতি কমে যায় দ্রুতই। প্রথম আঘাত হানেন বরুণ চক্রবর্তী, মাত্র ১৫ রানে ফেরান উইল ইয়াংকে। পরের ওভারেই কুলদীপ যাদব বোল্ড করেন ভয়ঙ্কর হতে থাকা রাচিনকে। এরপর অভিজ্ঞ কেন উইলিয়ামসন (১১) ও টম ল্যাথাম (১৪) দ্রুত বিদায় নিলে ১০৮ রানের মধ্যেই ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড।
এই বিপর্যয়ের পর দলকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব নেন গ্লেন ফিলিপস ও ড্যারিল মিচেল। সপ্তম উইকেটে তারা ৫৭ রানের মূল্যবান জুটি গড়েন। যদিও দুজনই জীবন পেয়েছিলেন—রোহিত শর্মা ও শুবমান গিলের হাত ফসকে বেঁচে যান তারা। কিন্তু এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি ফিলিপস, ৩৪ রান করে ১৬৫ রানের সময় বিদায় নেন।
মিচেল অবশ্য ইনিংস টেনে নেওয়ার চেষ্টা করেন। ৯১ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি, যা নিউজিল্যান্ডের জন্য চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে অন্যতম ধীরগতির অর্ধশতক। ভারতের স্পিনাররা পুরোপুরি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিলে কিউইদের রান তোলার গতি আরও কমে যায়।
যখন মনে হচ্ছিল নিউজিল্যান্ড ২৩৫ রানও করতে পারবে না, তখন মাইকেল ব্রেসওয়েল ঝড় তোলেন। মাত্র ৩৯ বলে দুর্দান্ত হাফ-সেঞ্চুরি করেন তিনি, যা শেষ দিকে কিউইদের স্কোর ২৫১-এ নিয়ে যেতে সাহায্য করে। ইনিংসের এক বল বাকি থাকতে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড, তবে ভারতের জন্য এটি সহজ লক্ষ্য হবে কিনা, তা এখনই বলা যাচ্ছে না।
২৫১ রান তাড়া করতে নামবে রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন ভারত। যদিও কাগজে-কলমে এটি সহজ লক্ষ্য মনে হতে পারে, তবে দুবাইয়ের মন্থর উইকেটে কিউই বোলারদের সামলানো চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। বিশেষ করে ট্রেন্ট বোল্ট, টিম সাউদি ও মিচেল স্যান্টনারদের বিপক্ষে শুরুটা ভালো করতে হবে ভারতকে।
এই ম্যাচে যদি নিউজিল্যান্ডের বোলাররা শুরুতেই ভারতের টপ অর্ডারে আঘাত হানতে পারে, তাহলে ২৫১ রানের লক্ষ্যও রোমাঞ্চকর হতে পারে। এখন দেখার বিষয়, ভারতীয় ব্যাটিং লাইনআপ এই চ্যালেঞ্জ সামলাতে পারে কিনা!
মন্তব্য করুন
সম্পাদক ও প্রকাশক : জুবায়ের আহমদ
সম্পাদক কর্তৃক নিউ বর্নমালা অফসেড প্রেস, রাজা ম্যানশন,জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
রেজি নং : চ-৭০০, ডিক্লারেশন নং: সিল-১৪৩/১৪।