মূল কনটেন্টে যান
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

৮ শিক্ষক, এইচএসসিতে পরীক্ষার্থী ১ জন, পাস করেননি কেউ

নিজস্ব একাডেমিক ভবন নেই ২৪ বছরেও, টিনশেড ঘরে চলছে পাঠদান


নিজস্ব প্রতিবেদক
৮ শিক্ষক, এইচএসসিতে পরীক্ষার্থী ১ জন, পাস করেননি কেউ
জরাজীর্ণ একাডেমিক ঘরের সামনে তিনজন শিক্ষক

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ মজিদবাড়িয়া কলেজে কর্মরত রয়েছেন আটজন শিক্ষক। অথচ এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি থেকে অংশ নিয়েছেন মাত্র একজন শিক্ষার্থী। সেই শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি। এক বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় কলেজটির ফলাফলে পাসের ঘর শূন্য।

২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত কলেজটির নাম মির্জাগঞ্জ মজিদবাড়িয়া কলেজ। প্রতিষ্ঠার ২৪ বছর পেরিয়ে গেলেও গড়ে ওঠেনি নিজস্ব পাকা একাডেমিক ভবন। টিনশেড ঘরেই চলছে পাঠদান। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধার অভাবে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমছে বলে দাবি কলেজ কর্তৃপক্ষের।

কলেজের অধ্যক্ষ ফারুক ইকবাল জানান, প্রতিষ্ঠানটি এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি। এ কারণে ভালো মানের শিক্ষার্থীরা এখানে ভর্তি হতে আগ্রহী হন না। অবকাঠামোগত সংকটের পাশাপাশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাও দিন দিন কমছে।

এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে মাত্র একজন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাঁর নাম রাজু আহমেদ। এক বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় পাস করতে পারেননি তিনিও।

একদিকে আটজন শিক্ষক, অন্যদিকে পরীক্ষার্থী মাত্র একজন। দীর্ঘ দুই যুগেও নিজস্ব পাকা একাডেমিক ভবন না হওয়া এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার অভাবের চিত্রটি প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রমের সংকটকে সামনে এনেছে।

কলেজটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিক্ষার্থীসংখ্যা, অবকাঠামো উন্নয়ন ও এমপিওভুক্তির অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠানটির সংকটের চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।