মূল কনটেন্টে যান
শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬

গণভোটে ‘হ্যাঁ’-না’ ভোট প্রদানে আমার কোন আপত্তি নেই. ডিসি ইলিয়াস মিয়া


সবুজ প্রান্ত অনলাইন
সবুজ প্রান্ত অনলাইন
IMG 20260128 WA0007 ezgif.com jpg to webp converter
IMG 20260128 WA0007 ezgif.com jpg to webp converter

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সাথেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গণভোট। এই নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১২টায় দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিসি ইলিয়াস মিয়া বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট প্রদানে তার কোনো আপত্তি নেই। তিনি বলেন, তিনি ‘হ্যাঁ’ও বলবেন না, ‘না’ও বলবেন না; এটি ভোটারদের ব্যক্তি স্বাধীনতার ইচ্ছা।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভোটার যদি মনে করেন ‘না’তে ভোট দিলে ভালো, তাহলে না দিবেন। হ্যাঁ ভালো মনে করলে হ্যাঁতে দিবেন। এই অধিকার জনগণের, জনগণের ব্যক্তি স্বাধীনতা। তবে প্রশাসন কিছু জানাতে চায় যাতে কেউ বলতে না পারে যে তারা না-জেনে ভোট দিয়েছে। হ্যাঁতে কিছু বিষয় আছে যা জনগণের কল্যানের জন্য প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে বর্তমানে দেশজুড়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক বলেন, তিনি এখন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের লোক। তার বিষয়টা ভিন্ন।

দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরুপ রতন সিংহের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোয়ারাবাজার সেনা ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ শাওন, সহকারী পুলিশ সুপার (ছাতক-দোয়ারা সার্কেল) শেখ মো. মুরসালিন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু সালেহীন খাঁন।

রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আজিজুল হক, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সামছুল হক নমু, উপজেলা জামায়াতের আমীর ডা. হারুন অর রশীদ এবং উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলতাফুর রহমান খসরু। এছাড়াও উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি কামাল উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক এম এ মোতালিব ভূইয়াসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ও সাংবাদিকরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের দিনই আলাদা ব্যালটে এই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ভোটাররা ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের পক্ষে বা বিপক্ষে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট প্রদান করবেন। ব্যালট পেপারে এই সনদ সংশ্লিষ্ট চারটি বিষয় সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।