কুমিল্লার লাকসামে চাঞ্চল্যকর কাউছার হত্যা মামলার তদন্তে অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে সিলেট থেকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৯। গত ৩১ অক্টোবর বিকেলে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানাধীন কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. রবিউল হাসান (৩১)। তিনি কুমিল্লার লাকসাম থানার নতুন বাড়ী এলাকার আক্তার হাসানের ছেলে।
এসআরবি-৯-এর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেপ্তার রবিউল হাসান কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার তারাপুর গ্রামের বাসিন্দা কাউছার হত্যা মামলার তদন্তে অভিযুক্ত। গত ১৮ অক্টোবর লাকসাম থানায় দায়ের করা হত্যা মামলার সূত্র ধরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, গত ৯ অক্টোবর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে কাউছারের ব্যবহৃত মুঠোফোনে একটি কল আসে। ফোনে কথা বলার পর তিনি জরুরি প্রয়োজনে বাইরে যাচ্ছেন বলে স্ত্রীকে জানান। এরপর তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি।
পরদিন সকালে কাউছার বাড়িতে ফিরে না আসায় তাঁর স্ত্রী মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কিন্তু ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে স্ত্রী ও স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি।
এরপর গত ১৮ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় লাকসাম উপজেলার জনক মকছুদা বেগমের বাড়ির পাশের একটি ধানখেতে কাউছারের অর্ধগলিত মরদেহ দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে স্ত্রী ও স্বজনেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।
এ ঘটনায় কাউছারের স্ত্রী বাদী হয়ে লাকসাম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর অজ্ঞাতনামা আসামিদের আইনের আওতায় আনতে এসআরবি-৯ তদন্ত ও গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে।
এরই ধারাবাহিকতায় এসআরবি-৯, সদর কোম্পানি, সিলেট এবং এসআরবি-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালীর একটি যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩১ অক্টোবর বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে দক্ষিণ সুরমার কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় মামলার তদন্তে অভিযুক্ত রবিউল হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
এসআরবি-৯ আরও জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


