
সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক আকাশপথে নতুন যোগাযোগের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সরকার তুরস্কের ইস্তাম্বুলকে ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করে সিলেট থেকে ইউরোপ ও আমেরিকার দেশগুলোতে সরাসরি ফ্লাইট চালুর আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছে। একই সাথে পর্তুগাল ও ফিনল্যান্ডসহ ইউরোপীয় দেশগুলোতে পড়তে যাওয়া শিক্ষার্থীদের ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনেও বিশেষ উদ্যোগ হাতে নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট নগরের ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এসব সম্ভাবনার কথা জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী জানান যে সিলেট থেকে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের যাত্রীদের যাতায়াত সহজ করতে শিগগিরই টার্কিশ এয়ারলাইনসের সাথে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করবে কর্তৃপক্ষ। বিমানবন্দরের চলমান আধুনিকায়ন এবং নতুন টার্মিনাল সম্প্রসারণের কাজ শেষ হলে একে একে আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক গন্তব্যের সাথে সিলেটকে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে সিলেট অঞ্চলের বিপুলসংখ্যক প্রবাসী এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের যাতায়াত অনেক সহজ হবে।
একই সাথে ইউরোপগামী শিক্ষার্থীদের ভিসা সংক্রান্ত জটিলতার বিষয়টিও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। বর্তমানে শেনজেন অঞ্চলের ফিনল্যান্ড ও পর্তুগালসহ বিভিন্ন দেশের ভিসা আবেদনের জন্য সিলেটে আবেদনকারীদের ভারতে যেতে হয়। এতে সময় ও অর্থের বিপুল অপচয় ঘটে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে যে শিক্ষার্থীদের এই অতিরিক্ত ব্যয় ও হয়রানি কমাতে দিল্লিতে থাকা ভিসা সেন্টারগুলো পুনরায় ঢাকার অভ্যন্তরে ফিরিয়ে আনার আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
সিলেটের সর্বস্তরের মানুষ দীর্ঘদিন ধরেই ওসমানী বিমানবন্দর থেকে সরাসরি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে ওমানভিত্তিক সালামএয়ারের ফ্লাইট চালুর পর এবার ইস্তাম্বুল রুট চালুর উদ্যোগ সিলেটবাসীকে আশান্বিত করেছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ নিলে সিলেটের ব্যবসা বাণিজ্য ও পর্যটন খাতেও নতুন গতি আসবে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন
সম্পাদক ও প্রকাশক : জুবায়ের আহমদ
সম্পাদক কর্তৃক নিউ বর্নমালা অফসেড প্রেস, রাজা ম্যানশন,জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
রেজি নং : চ-৭০০, ডিক্লারেশন নং: সিল-১৪৩/১৪।