
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় ওয়ার্ডের এক রোগীর বেডে ছারপোকা পেয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বিষয়টি নজরে আসার পর সেটি পরিষ্কার করার নির্দেশ দেন তিনি। একই সঙ্গে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও খাবারের মান নিয়ে রোগীদের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়ার কথাও জানিয়েছেন মন্ত্রী।
শুক্রবার ( ৪ সেপ্টেম্বর) ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ সময় চিকিৎসকদের ওপর অতিরিক্ত চাপের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, একজন চিকিৎসককে প্রায় ১১ হাজার মানুষের সেবা দিতে হচ্ছে। কোনো কোনো দিন একজন চিকিৎসককে ১৫০ থেকে ২০০ জন রোগী পর্যন্ত দেখতে হয়।
এত চাপের মধ্যেও চিকিৎসকেরা যে পরিশ্রম করে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছেন, সেটি প্রশংসা করা উচিত বলে মন্তব্য করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তাঁর মতে, চিকিৎসকদের শুধু সমালোচনা না করে তাদের কাজের স্বীকৃতিও দেওয়া প্রয়োজন।
হাসপাতালের সেবাব্যবস্থা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিজমের আমলে কিছুটা ‘ল্যাথার্জিজম’ বা কর্মে শিথিলতা এসেছে। তবে সেই পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে আসার প্রয়োজনীয়তার কথাও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।
ওসমানী মেডিকেলে রোগীদের সঙ্গে কথা বলার অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন তিনি। মন্ত্রী জানান, চিকিৎসকদের ব্যবহার সম্পর্কে জানতে চাইলে রোগীরা তাঁকে বলেছেন, তিনি আসার পর পরিস্থিতি অনেক ভালো হয়েছে। নার্সদের আচরণ নিয়েও রোগীদের কাছ থেকে ইতিবাচক মন্তব্য পেয়েছেন।
খাবারের মান নিয়েও রোগীদের প্রতিক্রিয়ার কথা জানান মন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, রোগীরা বলেছেন, আগের তুলনায় খাবার ভালো হয়েছে এবং এখন তারা খাবার খেতে পারছেন।
পরিদর্শনের সময় একটি ওয়ার্ডে ছারপোকা পাওয়ার কথাও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সেটি পরিষ্কার করার নির্দেশ দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ছারপোকা নাই! একটা ওয়ার্ডে পাইছি, এটা বলছি পরিষ্কার করতে।’
সব মিলিয়ে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বক্তব্যের শেষ দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আই অ্যাম রিয়েলি হ্যাপি।’
মন্তব্য করুন
সম্পাদক ও প্রকাশক : জুবায়ের আহমদ
সম্পাদক কর্তৃক নিউ বর্নমালা অফসেড প্রেস, রাজা ম্যানশন,জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
রেজি নং : চ-৭০০, ডিক্লারেশন নং: সিল-১৪৩/১৪।