
প্রান্তিক মানুষের বিচারিক সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মামুন।
তিনি বলেন, “জনগণের বিচারিক সেবা নিশ্চিত করার জন্য আমরা সবাই গ্রাম আদালত নিয়ে কাজ করছি। জনগণ যাতে সহজেই বিচার পেতে পারে, সে জন্য সরকার গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে ডিজিটাল পদ্ধতির আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত এএসিও/ইউপিএওরা এ কাজকে কতটা গুরুত্ব দিয়ে করছেন, তা দেখা জরুরি। দায়িত্ব ও কাজের প্রতি আন্তরিক না হলে সেবার মান নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। একই সঙ্গে সরকারের এ ধরনের প্রশিক্ষণও তখন কার্যকর হবে না।”
রোববার (৩০ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, শাহজালাল উপশহর, সিলেটে ‘জেলা পর্যায়ে গ্রাম আদালত তথ্য ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক দুই দিনব্যাপী আবাসিক তৃতীয় ব্যাচের প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার বিভাগ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইউএনডিপি বাংলাদেশের সহযোগিতায় বাস্তবায়নাধীন ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ-৩য় পর্যায়’ প্রকল্পের আওতায় সিলেট জেলায় স্থানীয় সরকার বিভাগের আয়োজনে এবং সিলেট জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ-৩য় পর্যায় প্রকল্পের সিলেটের ডিস্ট্রিক্ট ম্যানেজার শওকত হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিলেট জেলার স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মাসুদ রানা।
প্রশিক্ষণে হবিগঞ্জ জেলার ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত এএসিওরা অংশগ্রহণ করবেন। সিলেট জেলায় মোট ১৩টি ব্যাচে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি ব্যাচের প্রশিক্ষণ হবে দুই দিনব্যাপী আবাসিক। আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে এসব প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে।
প্রশিক্ষণে গ্রাম আদালতের তথ্য ব্যবস্থাপনা, তথ্য সংরক্ষণ ও হালনাগাদ, মামলা ব্যবস্থাপনা এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথ্য আদান-প্রদান ও প্রতিবেদন তৈরির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন
সম্পাদক ও প্রকাশক : জুবায়ের আহমদ
সম্পাদক কর্তৃক নিউ বর্নমালা অফসেড প্রেস, রাজা ম্যানশন,জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
রেজি নং : চ-৭০০, ডিক্লারেশন নং: সিল-১৪৩/১৪।