আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৬ নং ওয়ার্ডে “মেম্বার” পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে চান ফারুক আহমদ।
সৎযোগ্য, তরুণ, সমাজসেবক ও জনবান্ধব মুখ হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন ফারুক আহমদ, তিনি ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৯১ সালে সুরমা ইউনিয়নের টিলাগাঁও গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন, তার পিতা মোহাম্মদ হযরত আলী।
সুরমা ইউনিয়নের টেংরা মাধ্যামিক বিদ্যালয় থেকে ২০০৯ সালে এসএসসি, সমুজ আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২০১২ সালে এইচএসসি, ২০১৭ সালে সুনামগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে বিএ,২০১৮ সালে গাজীপুর জাতিয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাশ করেন। পেশায় তিনি একজন ব্যবসায়ী ও উদ্যোগতা
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, ফারুক আহমদ দীর্ঘদিন ধরে, এলাকার সুখে-দুঃখে সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছেন। সৎ ন্যায়-পরায়ন, শিক্ষিত, মেম্বার প্রার্থী আর কেউ নাই। বিপদে,দূঃসময়ে আমরা তার নিকট থেকে বিভিন্ন ভাবে সহযোগীতা পেয়েছি। এলাকায় সামাজিক,পারিবারিক বিভিন্ন কার্যকলাপে তাহার ভুমিকা অসীম। এলাকার তরুণ সমাজের কাছে তিনি একজন আইডল।
এ ব্যাপারে মেম্বার পদপ্রার্থী ফারুক আহমদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমার বহুদিনের ইচ্ছে আমি নির্বাচন করবো, এ প্রতিজ্ঞা নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমেছি। সুরমা ইউনিয়নের ৬ ওয়ার্ডকে একটি মডেল ওয়ার্ড হিসেবে পরিণত করা আমার লক্ষ্য। আমি আশাবাদী এবং আমার এলাকার ভোটারদের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস যে, সকলেই আমাকে ভোট দিয়ে এলাকার উন্নয়ন মূলক কাজ করার সুযোগ দিবে। নির্বাচনে জয়যুক্ত হওয়ার জন্য আমি সবার দোয়া প্রত্যাশী।
“আল্লাহর উপর ভরসা “এই বাণীকে সামনে রেখে আমি ৬ নং ওয়ার্ডবাসীর সেবা করার জন্য মেম্বার পদে প্রার্থী হয়েছি। আমার মূল লক্ষ হলো -“ওয়ার্ডবাসীর সেবা করতে চাই, আমাকে সুযোগ দিন।”
নির্বাচিত হলে ৬ নং ওয়ার্ডের জন্য তার ৫ দফা উন্নয়ন পরিকল্পনা
১. শিক্ষার মান উন্নয়ন: ওয়ার্ডের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষার আওতায় আনা।
২. সুষ্ঠু পানি নিষ্কাশন: জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও খাল খনন।
৩. কাঁচা রাস্তা পাকাকরণ: ওয়ার্ডের সকল কাঁচা রাস্তা পাকা ও চলাচলের উপযোগী করা।
৪. মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত ওয়ার্ড: তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করে একটি সুস্থ, সুন্দর ও সন্ত্রাসমুক্ত ওয়ার্ড গড়া।
৫. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিমূলক সেবা
সরকারি সকল ভাতা, বরাদ্দ ও সেবা কোনো রকম হয়রানি ছাড়া স্বচ্ছতার সাথে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া।


