
সিলেট মহানগরী ও আশপাশের এলাকায় ভবন নির্মাণ, ভূমি ব্যবহার এবং আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)। কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো ভবন নির্মাণ, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন করা যাবে না। একই সঙ্গে নির্মাণকাজ করতে হবে অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী।
রোববার (১৬ আগস্ট) সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে নাগরিক, ভূমির মালিক, ভবন নির্মাণকারী ও আবাসন প্রতিষ্ঠানের জন্য এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্র, ভবনের নকশা অনুমোদন এবং জলাধার খনন বা পুনঃখননের জন্য সিউকের কার্যালয়ে আবেদন করতে হবে। এ ছাড়া ভূমি জরিপ, মাটি পরীক্ষা এবং ভবনের স্থাপত্য, কাঠামোগত, বৈদ্যুতিক ও প্লাম্বিং নকশা প্রণয়নের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের তালিকাভুক্ত স্থপতি, প্রকৌশলী বা নকশাকারকের মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করে আবেদন জমা দিতে হবে।
রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন প্রকল্পের ক্ষেত্রেও ডেভেলপারদের আইন অনুযায়ী সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন নিতে হবে। কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া এসব প্রকল্পের কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না।
গণবিজ্ঞপ্তিতে অবৈধ দখল, ভূমি বা জলাধার ভরাট এবং পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সেবা নিতে সংশ্লিষ্টদের সিউকের কার্যালয়ে যোগাযোগ করতেও বলা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আইন বা বিধিমালা লঙ্ঘন করে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ক্ষেত্রে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৩-এর ৫৪ ধারা উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আইন কার্যকর হওয়ার পর আইনের আওতাভুক্ত বিষয়ে সিউক ছাড়া অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের অনুমতির ভিত্তিতে পরিচালিত কার্যক্রম অকার্যকর ও অননুমোদিত হিসেবে গণ্য হবে।
পরিকল্পিত ও আধুনিক নগরায়ণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সিলেটকে বাসযোগ্য নগর হিসেবে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা চেয়েছে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন
সম্পাদক ও প্রকাশক : জুবায়ের আহমদ
সম্পাদক কর্তৃক নিউ বর্নমালা অফসেড প্রেস, রাজা ম্যানশন,জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
রেজি নং : চ-৭০০, ডিক্লারেশন নং: সিল-১৪৩/১৪।