প্রতি বছর ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসারে হাজারো মুসল্লি দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন এই ঈদগাহে ঈদের জামাত আদায় করতে। এবছর আবহাওয়া অনুকূল থাকায় ঈদগাহের পরিবেশ ছিল আরও শান্তিময়। সকাল থেকেই ঈদগাহ প্রাঙ্গণে আনন্দঘন আবহ বিরাজ করছিল। সকাল সাড়ে সাতটা থেকেই শুরু হয় ধর্মীয় আলোচনা। ঈদের জামাতের সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে মুসল্লিদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে, একসময় পুরো ঈদগাহ এবং আশপাশের এলাকা মুসল্লিতে পূর্ণ হয়ে যায়।
নির্ধারিত সময় সকাল সাড়ে আটটায় ঈদের জামাত শুরু হওয়ার কথা থাকলেও মুসল্লিদের অধিক উপস্থিতির কারণে কিছু সময় অপেক্ষার পর সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জামাত শেষে ইমাম বিশেষ খুতবা প্রদান করেন এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন। মোনাজাতের সময় চারদিক ধর্মীয় আবহে মুখরিত হয়ে ওঠে, চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে ঈদের আনন্দ ও প্রশান্তি।
ঈদের নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে সালাম ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ঈদগাহ কমিটির দায়িত্বশীলরা এ সময় ঈদগাহের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন নিয়ে মুসল্লিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
মুন্সিবাজার আটমহল্লা শাহী ঈদগাহ শুধুমাত্র একটি নামাজের স্থান নয়, এটি ঐতিহ্য, আধ্যাত্মিকতা ও মুসলিম ঐক্যের প্রতীক। প্রতিবছর এই ঈদগাহে ঈদের জামাত আদায় করতে আসা মানুষের ঈমানি চেতনা ও ভালোবাসায় এটি এক মহামিলনস্থলে পরিণত হয়।