আইরিন আক্তার জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরেই শরিফুল ইসলামকে চেনেন, কারণ তিনি তার ভগ্নিপতির নানা। পরিচয়ের সূত্রে কাছাকাছি আসা, পড়ালেখার সহায়তা পাওয়া, এবং সময়ের ব্যবধানে একধরনের স্নেহ ও শ্রদ্ধা জন্মায়। তবে প্রেম? একদমই নয়!
বয়সের ব্যবধান এবং সামাজিক কটাক্ষের কথা ভেবে প্রথমে এই বিয়েতে রাজি হননি আইরিনের বাবা নজরুল ইসলাম। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে পরিবারের অন্য সদস্যরা—বিশেষ করে আইরিনের ভাইয়েরা—এ সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন এবং শেষ পর্যন্ত বৃদ্ধ শরিফুল ইসলামের সঙ্গেই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয় তাকে।
এদিকে, এলাকায় কান পাতলে অন্যরকম গুঞ্জনও শোনা যায়। স্থানীয়দের অনেকেই বলছেন, আসল কারণ ভালোবাসা নয়, বরং টাকার খেলা! শোনা যাচ্ছে, শরিফুল ইসলামের নামে রয়েছে ২-৩ কোটি টাকার সম্পত্তি! কেউ কেউ বলছেন, এই বিয়ের আসল উদ্দেশ্য উত্তরাধিকার লাভ করা! তবে এ বিষয়ে নববধূর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনা ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়েছে নেটিজেনদের মাঝে নানা আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। কেউ বলছেন, এটি প্রকৃত ভালোবাসা, আবার কেউ বলছেন, সম্পত্তির লোভেই বিয়ে।
এই বিয়ে কি প্রকৃত ভালোবাসার গল্প, নাকি শুধুই সম্পত্তির হিসাব? সেটা সময়ই বলে দেবে। তবে একটাই সত্য—এই অসমবয়সী বিয়ে এখন টক অব দ্য টাউন, আর এ নিয়ে বিতর্কের আগুন এখনো জ্বলছে!