ওসমানীনগরে পরিকল্পিতভাবে মাদ্রাসা প্রিন্সিপালকে হত্যা!

সাপ্তাহিক সবুজ প্রান্ত :::
সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগরে দুর্ঘটনা নয়, গাড়ি চাপা দিয়েই শেখ ফজিলাতুন নেছা মাদরাসার প্রিন্সিপাল শায়খুল ইসলামকে(৪৫) হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ সকাল সাড়ে দশটার সময় সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের বুরুঙ্গা সড়কের মুখ এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভর পুর উপজেলার অনন্তপুর গ্রামের উস্তার আলীর ছেলে। পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।

জানা যায়, প্রিন্সিপাল শায়খুল ইসলাম আজ সকালে মোটরসাইকেল যোগে মাদরসায় যাচ্ছিলেন। তিনি বুরুঙ্গা সড়কের মুখ এলাকায় পৌছলে পেছন দিক থেকে একটি প্রাইভেটকার মোটরসাইকেলসহ তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে প্রাইভেটকারকে আটক করতে সক্ষম হলে কোন ব্যক্তিকে আটক করতে পারেনি।

নিহতের চাচা পুলিশ সদস্য শাহ আলম বলেন, এখানে এসে শুনলাম আমার ভাতিজার সাথে মাদরাসার এক শিক্ষকের বিরোধ চলছে এবং সেই বিরোধের জেরে তাকে পরিকল্পিত ভাবে গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

শেখ ফজিলাতুন নেছা মাদরাসার গর্ভনিংবডির সহ-সভাপতি রাশিদুল হক চৌধুরী ও মাদরাসার আরবী বিভাগের শিক্ষক ওয়ারিস উদ্দীন আল মামুন জানান, দীর্ঘ দিন ধরে প্রিন্সিপালের সাথে মাদরসার বাংলা বিভাগের প্রভাষক লুৎফুর রহমানের বিরোধ চলে আসছে। এই বিরোধের জেরে তাকে পরিকল্পিতভাবে গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

হাইওয়ে পুলিশের এসআই মোজাম্মেল বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল থেকে প্রিন্সিপালের লাশ এবং প্রাইভেট ও মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছি। লোকমুখে শোনা যাচ্ছে প্রিন্সিপালকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে। তবে এটি দূর্ঘটনা না পরিকল্পিত হত্যা তা তদন্তের আগে কিছু বলা যাচ্ছে না।

ওসমানীনগর থানার ওসি এসএম আল মামুন বলেন, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। ঘটনার পর থেকে বাংলা বিভাগের অভিযুক্ত সেই প্রভাষকও পলাতক রয়েছে। বিষয়টি হাইওয়ে থানা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

নবীনতর পূর্বতন